Blogger Tips and TricksLatest Tips For BloggersBlogger Tricks

৩১ জানুয়ারি দেখা যাবে এক বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য কেউ মিস করবেননা।



আগামী ৩১ জানুয়ারি এক বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকবে বিশ্ব। চাঁদের রং সেদিন হয়ে দাঁড়াবে গাঢ় লাল। বিশ্বের একাধিক জায়গার সঙ্গে এই দৃশ্য দেখা যাবে এশিয়ার সব প্রান্ত থেকেই।

চন্দ্রগ্রহণ পর্যবেক্ষণের জন্য বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র জানিয়েছে, ৩১ জানুয়ারি সারাদেশ থেকে পূর্ণচন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। ঢাকার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫টা ৩৭ মিনিটে চাঁদ দিগন্তের উপরে উঠবে। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটে আংশিক গ্রহণ শুরু হবে। সন্ধ্যা ৬টা ৫১মিনিটে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে।

পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের মধ্যবর্তী অংশ ৭টা ২৯ মিনিটে সংঘটিত হবে। পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ সর্বমোট ১ঘন্টা ১৬ মিনিট স্থায়ী হবে। রাত ১০টা ৮ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণের উপচ্ছায়া পর্যায় শেষ হবে। এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করার জন্য অনুসন্ধিৎসু চক্র নানা প্রস্তুতি নিয়েছে। রাজধানীর কেন্দ্রীয় ও বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পটি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার গ্রীন মডেল টাউন মান্ডায়।

৩১ জানুয়ারি চন্দ্রগ্রহণ। সেই দিনই এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাবে। আর তা দেখার জন্য ইতোমধ্যেই প্রস্তুত গোটা বিশ্বের মানুষ। তবে, এটি কোনও বিরল ঘটনা নয় বলেই দাবি করেছেন ভারতের জওহরলাল নেহরু প্ল্যানেটোরিয়ামের বিজ্ঞানী এইচ আর মধুসুধন। তিনি বলেন, প্রত্যেক চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে। তার ফলে অন্ধকার দেখায় চাঁদকে। কিন্তু, পৃথিবীর থেকে সেই সময় চাঁদকে কিছুটা লালচে দেখায়। কারণ হিসেবে তাঁর ব্যাখ্যা, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে হাজির ধূলিকনা ও দূষণের ফলে আমরা চাঁদের বহিরমণ্ডলে একটি লালচে আভা দেখতে পাই। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে, এবার রং গাঢ় হওয়ার কারণ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে দূষণের অত্যাধিক বৃদ্ধি পাওয়া।

সুত্র:বিডি২৪লাইভ


Read More Add your Comment 0 comments


অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম আইপে'র যাত্রা শুরু।



অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম আইপে সিস্টেমস লিমিটেড আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে।গতশনিবার (১৩ জানুয়ারি) গণমাধ্যমকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, আইপে'র প্রধান কার্যালয়ে এ সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আইপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাকারিয়া স্বপন।

এ সময় আইপে'র চেয়ারম্যান মো. শহিদুল আহসান, পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, মানজানুর রাহমান, রেজাউল হোসেন, রেহনুমা আহসান, মোহাম্মদ নুরুল আমিন এবং উপদেষ্টাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জাকারিয়া স্বপন জানান, আইপে হলো বাংলাদেশে প্রথম অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম এবং এটি সম্প্রতি তার বেটাফেজটি সম্পন্ন করেছে। এখন মার্কেট অপারেশনের জন্য এটি সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত। আইপে দৈনিক লেনদেনের জন্য একটি নিরাপদ পেমেন্ট সিস্টেম। যে কোনো ব্যক্তি তাদের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়ে এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

আইপের ব্যবহার সম্পর্কে তিনি বলেন, এই ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে গ্রাহক টাকা পেমেন্ট, সেন্ড, রিকোয়েস্ট ও রিসিভ, মোবাইল ব্যালেন্স রিচার্জ, অনলাইন শপিং এবং আরও অনেক সার্ভিসের সুবিধা নিতে পারবেন। আইপে বাংলাদেশে ক্যাশলেস সমাজ তৈরি করতে ও দেশের ফিনটেক জগতকে বদলে দিতে কাজ করছে।
প্রসঙ্গত, আইপে সিস্টেমস লিমিটেড বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পিএসপি (পেমেন্ট সার্ভিস প্রদানকারী) হিসাবে সেবা প্রদানের জন্য অনুমোদন প্রাপ্ত। যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক অ্যাপল অথবা গুগল প্লেস্টোর থেকে (iPay Bangladesh লিখে সার্চ দিয়ে) এটি ডাউনলোড করে নতুন একাউন্টের জন্য সাইন আপ করতে পারবেন।
সুত্র: Bd24live.com


Read More Add your Comment 0 comments


বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রেস্তোরাঁর খাবার পরিবেশনে রোবট।




বিডিহটনিউজ,ঢাকা: পছন্দের খাবারের অর্ডার নিচ্ছে রোবট। এমন দৃশ্যের দেখা মিলছে এখন রাজধানী ঢাকায়। যাত্রা শুরু করল দেশের  প্রথম রোবট রেস্তোরাঁ। গত বুধবার (১৫ নভেম্বর) আসাদগেটের কাছে ফ্যামিলি ওয়ার্ল্ড টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় এই রেস্তোরাঁর উদ্বোধন হয়।
বিকেলে সেখানে দেখা গেল, রোবট ঘুরছে রেস্তোরাঁ জুড়ে— গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলছে সে। নিচ্ছে পছন্দের খাবারের অর্ডার। আবার রোবটের পেছনে থাকা মনিটরের স্ক্রিনে ভেসে ওঠা বাটনে চাপ দিয়ে গ্রাহকরাও দিচ্ছেন খাবারের অর্ডার।
শক্তিশালী ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে সে অর্ডার স্বয়ংক্রিয় ভাবে চলে যাচ্ছে রান্নাঘরে, শেফের কাছ। ঝটপট তৈরি হচ্ছে খাবার। দ্রুত সেই খাবার নিয়ে ওই রোবটই হাজির হচ্ছে নির্দিষ্ট টেবলে। রেস্তোরাঁটি যৌথ ভাবে পরিচালনা করছে বাংলাদেশ ও চীন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আয়োজকরা জানালেন, বাংলাদেশে এই ধরনের এটাই প্রথম রেস্তোরাঁ, যেখানে রোবটের মাধ্যমে গ্রাহকদের খাবার সরবরাহ করা হবে।  এর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে একটি নতুন মাইলফলক এবং নতুন দিগন্তের সূচনা হল।
রেস্তোরাঁর পরিচালক রাহিন রাইয়ান নবির জানান, ‘‘অনেক সময় দেখা যায় যে, ওয়েটাররা কয়েক ঘণ্টা কাজের পর ক্লান্ত হয়ে পড়েন। ক্লান্ত অবস্থায় তাঁরা গ্রাহকদের খাবার সরবরাহ করতে বাধ্য হন। কিন্তু রোবট কখনওই ক্লান্ত হবে না। তাই যখন রোবট খাবার সরবরাহ করবে, তখন এটি গ্রাহককে আরও ভাল পরিষেবা দিতে পারবে। সকল বয়সের মানুষের জন্য অত্যন্ত রোমাঞ্চকর পরিবেশও তৈরি করবে। বিশেষ করে শিশুরা বেশি রোমাঞ্চিত হবে।’’


Read More Add your Comment 0 comments


 

´এই ব্লগে প্রকাশিত সকল লেখার দ্বায়-দায়িত্ব লেখকের | 2018 Technology And Web All Rights Reserved BluSky BD